ঘুরে আসুন রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বাঘা মসজিদ

Posted by: Raiyan Rajee | 3rd, Mar 2016

1813
ঘুরে আসুন রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বাঘা মসজিদ
বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। অন্যতম দর্শনীয় মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ খ্রিস্টাব্দে (৯৩০ হিজরি) হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ (বাংলার স্বাধীন সুলতান) নির্মাণ করেন।

যে কারণে বিখ্যাত
মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে। আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ। মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা বর্তমান।
প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো শাহী মসজিদ এখানকার সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান। বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয়। মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।
এছাড়া বাঘা মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি মাজার শরীফ।

স্থানটির দর্শনীয় দিক

মসজিদ প্রাঙ্গণের উত্তর পাশেই রয়েছে হজরত শাহদৌলা ও তার পাঁচ সঙ্গীর মাজার। মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান। শাহী মসজিদ সংলগ্ন এ দিঘিটি ৫২ বিঘা জমির ওপর রয়েছে। এই দিঘির চারপাশে রয়েছে সারিবদ্ধ নারিকেল গাছ। প্রতিবছর শীতের সময় এ দিঘিতে অসংখ্য অতিথি পাখির কলতানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
এছাড়া এ মসজিদ সংলগ্ন জহর খাকী পীরের মাজার রয়েছে। মূল মাজারের উত্তর পাশে রয়েছে তার কবর। মসজিদের এর দুপাশ দিয়ে দুটি বিশাল গেট রয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে এখানে রয়েছে টেরাকোটা বা পোড়ামাটির কারুকাজের নিদর্শন দিয়ে শাপলা ও লতাপাতাসহ পার্সিয়ান খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ।

যে সময় যাবেন
এ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের দিন থেকে ৩ দিন পর্যন্ত ´বাঘার মেলা´র আয়োজন করা হয়। এ মেলাটি ৫০০ বছরের পুরান ঐতিহ্য ।প্রতি শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসে বাঘায় ।

যেভাবে যাবেন
রাজশাহী হতে বাঘাগামী যেকোন বাসে চড়ে প্রায় দেড় ঘন্টায় বাঘা যাওয়া যায়। তবে বিআরটিসি বাসে যাওয়াটাই উত্তম। বাঘা সদরে নেমে হেটে বা রিকশায় সহজেই বাঘা মসজিদে যাওয়া সম্ভব। রাজশাহী থেকে আপনি বাস অথবা সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে এখানে পৌছাতে পারেন।

রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক ব্যাবস্থা

এখানে খাওয়া দাওয়ার ভাল কোন ব্যাবস্থা নেই। বাঘা উপজেলায় একটি সরকারী ডাকবাংলো ভাড়া করলে ভাল হবে।কারন বাঘায় ভালোমানের আবাসিক হোটেল নেই। তবে রাজশাহী শহরে অবস্থান করে একদিনে সহজেই এটি পরিদর্শন করা যায়। রাজশাহীতে থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে। এসব হোটেলে আনুমানিক ২শ´ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিভিন্ন মানের রুম পাওয়া যায়।


মোঃ শাহিন মিয়া

Disclaimer / See additional info.:

If you'd like to leave feedback about your experience on this site or if you see an issue specific to the page or you see an issue specific on content of this site, please send us your feedback.
Pepeelika.com is not intended to be a source for advice. Visitors to Pepeelika.com should always seek the advice of an appropriately qualified professional. Information on this site is provided for information purposes only. Any advice, guidance or medical & health information or opinion obtained from this Web site should be reviewed with an appropriate legal service, consultant or health-care provider to determine its applicability to your particular condition. Great care has been taken to maintain the accuracy of the information provided on this Website. However, the Pepeelika.com and their employees are not responsible for errors or any untoward consequences arising from your use of this information. For additional information, please see user's terms and conditions.