ডায়াবেটিস রোগীর চিকিৎসা পদ্ধতি

প্রকাশিত ৭ এপ্রিল, ২০১৮ | আপডেট: ১২ আগস্ট, ২০২০

ডায়াবেটিস মানে নানা সমস্যায় জর্জরিত রোগী । ডায়াবেটিস একটি সিস্টেমিক ডিজিজ । বর্তমানে পৃথিবীতে ৪০ কোটি ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে । যার ডায়াবেটিস নেই, যার উচ্চ রক্তচাপ নেই প্রকৃতপক্ষে তার কোনো রোগও নেই । 

ডায়াবেটিস যখন হতে পারে

১। মাসল ক্রাম্প থাকলে ।

২। প্যারোনাইকিয়া হলে ।

৩। প্রেগ্নেন্সি ১২ সপ্তাহ হলে ।

৪। মায়ের বেশি ওজনের বাচ্চা হলে ( >৯ পাউন্ড )

৫। অ্যাকান্তোসিস নিগ্রিকানসন থাকলে ।

৬। ৪৫ বছরের বেশি বয়স্ক যে কোন লোকের রুটিন মেডিকেল চেকআপ করার সময় । বেশি ওজনের মানুষ বিশেষ করে দুটি রিস্ক ফ্যাক্টর ( এশিয়ান, অ্যাকোন্থেসিস, নিকট আত্মীয়ের ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, হাইপারটেনশন ) থাকলে ।

রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা

১। আলসার যখন সারে না ।

২। ঘা যখন শুকায় না ।

৩। যখন ওজন কমার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার ।

৪। ন্যাশ থাকলে বা লিভার এনজাইম বেশি থাকলে ।

৫। ডায়াবেটিস উপসর্গ বেশি থাকলে ।

৬। করটিকস্টেরেয়ড, ডাইউরেটিক, সাইক্লোস্পারিন, মাইকোফেনলেট মফিয়েট এটিপিক্যাল অ্যান্টিসাইকোটিক জাতীয় ঔষধ খেলে । রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে ।

সুগারের পরিমাণ

অভুক্ত অবস্থায় ( আগে ) <৬ মিমোল/লিঃ যেকোন সময় ( র‍্যান্ডম ) -<৮মি. মোল/লি । এইচবিএ ১সি-৫.৫% । 

প্রি-ডায়াবেটিস

অভুক্ত-৬.১-৬.৯ মি. মোল , খাওয়ার পর ৭.৯ থেকে ১১.০ মি. 

কেন প্রি-ডায়াবেটিস 

১. এই স্টেজে গ্লুকোজ কন্ট্রোলে রাখতে পারলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

২. এদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা তিন গুণ ।

৩. এদের ম্যক্রোভাস্কুলার জটিলতা অর্থাৎ মোটা রক্তনালি, হার্ট ও ব্রেনের অসুখ বেশি হয় ।

ডায়াবেটিস

অভুক্ত ৭ মি.মোল এবং তার বেশি । খাওয়ার পর ১১.১ মি. মোল এর বেশি । এইচবিএ১সি ৬.৫% এর বেশি ।

ঠিকমত করা থাকলে যেকোন একটা রিপোর্টই ( কাট পয়েন্ট ) ডায়াগনোসিস নিশ্চিত করে ।

যা করতে হবে

১. রিপোর্ট স্বাভাবিক হলে তিন বছরের মধ্যে রিপিট করতে হবে ।

২. প্রি-ডায়াবেটিস হলে এক বছরের মধ্যে রিপিট করতে হবে ।

৩. উপসর্গ নেই কিন্তু র‍্যান্ডম সুগার ১১.১ মি. মোল- রিপিট করতে হব ঐ দিন বা তারপরের দিন কিন্তু দেরিতে নয় ।

৪. ফাস্টিং <৭ কিন্ত এ১সি> ৬.৫- ডায়াগনোসিস নিশ্চিত ।

৫. যদি দ্বিধা থাকে রিপিট করলে এ১সি দিয়ে নিশ্চিত হওয়ার চান্স বেশি ।

চিকিৎসা

তিনটি অত্যাবশ্যকীয় জিনিস- ১। জীবনযাত্রার পরিবর্তন ২। ঔষধের ব্যবহার ৩। প্রয়োজনীয় ধারণা । 

কাউন্সেলিং

ডায়াবেটিস যেকোন সময় যেকোন বয়সে যেকোন লোকের হতে পারে । ডায়াবেটিস চিকিৎসা করে কন্ট্রোল করা যায়, কিউর করা যায় না । ডিসিপ্লিনড না হলে কন্ট্রোল করা যায় না । কন্ট্রোলে রাখতে পারলে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন সম্ভব । 

লাইফ স্টাইল পরিবর্তন

জীবন যাত্রার পরিবর্তন করতে হবে যেন ওজন স্বাভাবিক হয় । জীবনযাত্রার পরিবর্তন মানে অফিস সময় বদলানো নয় বা ঘুমের অভ্যাস বা দৈনন্দিন জীবন পাল্টিয়ে ফেলা নয় । খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে ও নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে । ডায়াবেটিস রোগীকে ডিসিপ্লিনড হতে হবে । আসলে Diabetes is a disease of discipline !  একজনের জীননযাত্রা ঠিক রেখেও ডিসিপ্লিনড হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ বেশি । তাই ওজন স্বাভাবিক করতে হবে । উচ্চতা অনুযায়ী সবারই একটা ওজন বজায় রাখতে হয় । কায়িক শ্রম বা পেশা অনুযায়ী ক্যালরি বরাদ্দ  ঠিক করতে হবে । এককথায় বললে জিহ্বা ছোট, পা লম্বা করতে হবে । অর্থাৎ হিসাব করে খেতে হবে ও শারীরিক প্ররিশ্রম বাড়াতে হবে । লক্ষ্য হবে প্রাথমিক অবস্থার চেয়ে ৭ শতাংশ ওজন কমানো এবং ধরে রাখা । তবে ৫ শতাংশ কমাতে পারলেই গ্লাইসেমিক কন্ট্রোলের সুবিধা পাওয়া যায় । 

ব্যায়াম করা ঠিক নয় কাদের জন্য

প্রলিফারিটফ রেটিনপ্যাথি থাকলে চিকিৎসার আগে ব্যায়াম না করা ভালো । অটনমিক নিউরোপ্যাথি থাকলে ব্যায়ামের আগে কার্ডিয়াক ইভালুয়েশন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি থাকলে পা পরীক্ষা, ওয়েট বিয়ারিং ব্যায়াম না করা ভালো । সিক্রেটগগও ইন্সুলিন চিকিৎসা পাওয়া রোগীদের ব্লাড গ্লুকোজ ৬ মি. মোলের কম থাকলে ব্যায়ামের আগে কিছু শর্করাজতীয় খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো । তবে কিডনির রোগীর ব্যায়ামের নিষেধ নেই । ধূমপায়ী হলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ বেড়ে যায় । তাই ডায়াবেটিস না হলেও সবাইকে ধূমপান ছাড়তে হবে । 

রোগীর খাবার

আসলে মিষ্টি ছাড়া সবই খাওয়া যাবে তবে হিসাব করে খেতে হবে । অফিসের চা-কফিতে চিনি ( হালকা চিনি! বলে কিছু নেই ) খাওয়া হয়, কন্ডেন্সড মিল্ক খাওয়া হয় । এগুলোতে গ্লুকোজ বাড়ে তাই এগুলো বাদ দিতে হবে ।  ডায়াবেটিস রোগীর খাবার মানে সব কিছু বাদ দিতে হবে তা নয়; যা-ই খান যেভাবেই খান মোট ক্যালরি ঠিক রাখতে হবে । প্রচলিত খাদ্য-দ্রব্যের মধ্যেই বাছাই করে খেতে হবে । স্বাস্থ্যকর খাবারই ডায়াবেটিসের প্রতিরোধক ও প্রতিকারক । আপনি যে ধরনের খাবার খেয়ে অভ্যস্ত তাই খাবেন । তবে ওজন ঠিক রাখার জন্য ক্যালরি ঠিক করে নিতে হবে । তবে এটা ঠিক যে, প্রেসার বেশি থাকলে পাতে লবণ খাওয়া যাবে না, চর্বি জাতীয় খাবার হিসাব করে খেতে হবে । কিডনি রোগ হলে পানি ও আমিষ ( ০.৮ গ্রাম/কেজি ) হিসাব করে খেতে হয় । শরীরে শর্করার জন্য যে ইন্সুলিন নিসরণ হয় প্রোটিন তা আরও বাড়ায় । মোট ক্যালরির ২০-৩৫ শতাংশ  চর্বি জাতীয় খাবার হতে হবে এতে কোনো সবোচ্চ সীমা নেই । তবে পরিমাণ নয়, মনোআনস্যচুরেটেড ফ্যাটি-এসিড গ্লাসেমিয়া ও লিপিড কমায় এসব গুণই আসল লোগ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কার্বোহাইড্রেড ও ওমেগা৩ ফ্যাটি-এসিড গ্লুকোজ কন্ট্রোলে সাহায্য করে না । পাতে অতিরিক্ত লবণ না খাওয়াই ( ১৫০০ গ্রাম/দিন ) উত্তম । 

ডায়াবেটিসের ঔষধ

যদি এমন হয় যে একজন রোগী চার প্রকার ট্যাবলেট পায় বা ৬০/৭০ ইউনিট বা বেশি ইন্সুলিন নেয় কিন্তু ডায়াবেটিস কন্ট্রোল হয় না । ডায়াবেটিস কন্ট্রোল না হলে কী করতে হবে ? প্রথমে মনে রাখতে হবে ডায়াবেটিস সেরে যায় না, কিন্তু কন্ট্রোল করা যায় তাই কন্ট্রোল হতেই হবে । এসব ক্ষেত্রে হয় রোগীর দোষ নয়তো ঔষধের । ডায়াবেটিসের রোগী ডিসিপ্লিনড না হলে সমস্যা । খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা ও নিয়মিত ব্যায়াম জরাটা জরুরি । আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে মা/চাচী বা দাদি/নানীদের জন্য এটা ডিফিকাল্ট কিন্ত অসম্ভব নয় । শুধু অত্যাবশ্যকীয়তা উপলব্ধি করাতে হবে । ফজরের নামাজ পড়ে বা সকালের পূজা সেরে রাস্তায় বেরিয়ে পড়তে হবে । ওই সময় শহর হোক আর গ্রাম হোক রাস্তা ফাঁকা থাকে । ডায়াবেটিস হয়েছে অথচ হাঁটবেন না এটা অসম্ভব ।

ভাত রুটির ব্যাপারে অনেকের দ্বিধাদ্বন্ধ থাকে । যারা পুরোনো ডায়াবেটিস রোগী তাদের অধিকাংশই মিষ্টি খায় না । বোঝাতে হবে যে আইটেম নয়, আসল হিসাব হলো ক্যালরিতে । ওজন ঠিক রাখার জন্য বা টোটাল ক্যালরি ঠিক রেখে খেতে হবে । এক্সচেঞ্জ ডায়েট সম্পর্কে ধারণা দিতে পারলে মেন্যুর একঘেয়োমি থাকবে না, যদিও মাছে-ভাতে বাঙ্গালী আমাদের এই জিনিসটা খুব একটা সমস্যা করে না । 

যারা ট্যাবলেট খান তাদের ম্যাক্সিমামের ডোজ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ইন্সুলিনের ভয়ে অনেকে অতিরিক্ত ডোজে গ্লিক্লাজাইড, গ্লিপিজাইড ও গ্লিম্পারাইড খায় । রোগী ও প্রাক্টিশনারদের তাই সেকেন্ডারি ফেইলর, কখন ইন্সুলিন দিতেই হবে ( A1C>9 ) ইত্যাদি ব্যাপারে ধারণা থাকতে হবে ।

ইন্সুলিনের ব্যবহার

অনেকেই মনে করে একবার শুরু করলে ইন্সুলিন ছাড়া যায় না, আবার কেউ কেউ ভাবেন এটাই শেষ চিকিৎসা । ইনসুলিন শুরু করার আগে তাই রোগীর কাউন্সিলিং দরকার । ইন্সুলিন ও ডিভাইস সম্পর্কে ট্রেইনিং দেওয়া উচিৎ । যারা ইন্সুলিন নেয় ডিভাইসগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে । ম্যক্সিমাম ডোজ ট্যাবলেট খাওয়ার পর যখন কন্ট্রোল হচ্ছে না, কমপ্লায়েন্স ঠিক থাকলে স্বভাবতই ইন্সুলিন দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠে । অনুসন্ধিৎস্যু হলে দেখবেন একই জায়গায় ইন্সুলিন নিতে নিতে চামড়া মোটা হয়ে গেছে । চামড়া মোটা করে ধরে সূচ খাড়াভাবে পুশ করতে হবে যেন চামড়ার নীচে ( সাব কিউটেনিয়াস ) যায়, চামড়ার মধ্যে ইন্ট্রাকিউটেনিয়াস নয় । রোগীকে ইন্সুলিন দেওয়ার জায়গাগুলো চিনিয়ে দিতে হবে ।

ডায়াবেটিস রোগীর কিছু সমস্যা  

মানসিক রোগ

ডায়াবেটিসের সঙ্গে ডিপ্রেশন থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা দ্বিগুণ । ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ।  ডায়াবেটিস ডিস্ট্রেস ( সবকিছুতেই নেগেটিভ/সিন্ড্রম অ্যাটিচ্যুড হয় ) ১৮ থেকে ৪৫ শতাংশের । 

ভ্যাক্সিন

ডায়াবেটিস রোগীর যারা নিউমোনিয়ায় মারা যায় ২৫ থেকে ৬৫ বছরের রোগীদের মধ্যে এদের সংখ্যা অন্যদের তুলনায় ২.৫ গুন, সবাইকে তাই নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহিত করতে হবে । হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন সবার জন্য অত্যাবশ্যক কারণ ট্রান্সমিশনের সমূহ সম্ভাবনা থাকে ।

ফ্যাট লিভার

ওজন কমালে, লিপিডের চিকিৎসা করলে ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করলেই উপকার হয় । অন্য ঔষধ লাগে না । অতিরিক্ত হেপাটিক ট্রান্সমাইনেস আসলে যাদের বিএমআই, ওয়েস্ট সারকামফারেন্স ও ট্রাইগি- সারাইড বেশি এবং এইচডিএল কম তাদের সবারই থাকে । স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৫ গুণ ( ১০০ ) এর বেশি হলে অন্য রোগ যেমন- ভাইরাল হেপাটাইটিস, অটইমুন হেপাটাইটিস, লুপাস হেপাটাইটিস, উইলসনস ডিজিস ইত্যাদির জন্য পরীক্ষা করতে হয় । এগুলো না হলে ট্যাবলেট দিয়েই চিকিৎসা করা যায় । ইনসুলিন আবশ্যক নয় । ডায়াবেটিস রোগীদের স্লিপ অ্যাপনিয়া ( মোটা হলে ৪ থেকে ১০ গুণ ) ক্যানসার ( লিভার, প্যানক্রিয়াস, ব্লাডার ), ফ্রাকচার রিক্স ( বিশেষ করে গ্লিটাজন ও এসজিএল টি-২ ইনহিবিটার খেলে ) কগনিটিভ ( >৬০ ) ও হিয়ারিং ইম্পেয়ারমেন্ট, পেরিওডন্টাল ডিজিস বেশি হয় । 

হাইপোগ্লাইসেমিয়া

গ্লুকোজ বেশি হলে  কী হবে শুধু এটা বললেই হবে না । ডায়াবেটিসের যেকোন ঔষধেই হাইপোগ্লাইসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।  ঔষধ শুরু করার সময় তাই হাইপোগ্লাইসেমিয়া সম্পর্কে রোগীকে ধারণাও দিতে হবে । হাইপোগ্লাইসেমিয়া তাৎক্ষনিক চিকিৎসা জরুরি এবং সব ডায়াবেটিক রোগীরই এটা সম্পর্কে ধারণা থাকা অত্যাবশ্যক । ডায়াবেটিসের ঔষধ না খেলে ডায়াবেটিস রোগীর হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় না ।

হাইপোগ্লাইসেমিয়ার প্রকারভেদ

১. স্বল্প মাত্রা- যা রোগী নিজে চিকিৎসা করতে পারে, অন্যের সাহায্যে লাগে না ।

২. মারাত্মক- যাতে রোগী অজ্ঞান হয়ে যায় । দশ মিনিট দেরি করলেই ড্যামেজ হতে পারে । অন্যের সাহায্য ছাড়া হয় না । গ্লুকোজ ইনজেকশন দিতে হবে । ১৫ মিনিট পরপর  গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে । স্বাভাবিক হলে মুখে শর্করাসমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে । সালফোনরিয়া ও লং অ্যাক্টিং ইনসুলিন থেকে হলে দুইদিন অবজারভেশনে রাখতে হবে । আট ঘন্টা পরপর রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে । শর্ট/রাপিড অ্যাক্টিং ইনসুলিন দিয়ে শুরু করতে হবে কমপক্ষে (৬+০+৪) ডোজ দিয়ে । সালফোনরিয়া এক বা ততোধিক ট্যাবলেট থেকে হলে এক-চতুর্থাংশ দিয়ে শুরু করে দিতে হবে ।

সবাইকে এটা জানতে হবে যে, ডায়াবেটিস একটা মহামারি । ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে স্বাভাবিক জীবন সম্ভব । ডায়াবেটিস আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার আগে আপনি ডায়াবেটিস কে নিয়ন্ত্রণ করুন

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।