প্রেগনেন্সী টেস্ট (Pregnancy test)

প্রকাশিত ৮ আগস্ট, ২০১৮ | আপডেট: ১২ আগস্ট, ২০২০

  

একটা প্রেগনেন্সী টেস্ট শরীরে HCG বা Human Chorionic Gonadotropin নামক হরমোন এর মাত্রা নির্নয় করে। Human Chorionic Gonadotropin একটি হরমোন যা গর্ভাবস্থার সময়ে তৈরি হয়। গর্ভাবস্থার নির্ধারিত ১০ দিন পরে মহিলাদের রক্তে ও মুত্রের মধ্যে এটি উপস্থিত থাকে।

কিভাবে এই পরীক্ষা বা টেস্ট করা হয়ে থাকে

একটা প্রেগনেন্সী টেস্টরক্ত ও মুত্র ব্যবহার করে করা হয়। এর জন্য ২ ধরণের ব্লাড টেস্ট রয়েছেঃ

১। কোয়ালিট্যাটিভ, HCGহরমোন উপস্থিত কিনা তার পরিমাণ বা মাত্রা নির্ণয় করে।

২। কোয়ানটিট্যাটিভ, কতটুকু HCG উপস্থিত তার মাত্রা নির্ণয় করে।

ব্লাড টেস্ট রক্তের একটা সিংগ্যাল টিউব এনে ও তা একটা ল্যাবোরেটরীতে পাঠিয়ে করা হয়ে থাকে। আপনি কয়েক ঘণ্টা থেকে একদিনেরও অধিক সময় পর্যন্ত ফলাফল পাওয়ার জন্য যেকোন জায়গায় অপেক্ষা করতে পারেন। 

ইউরিন HCG টেস্ট সচারাচর একটা প্রস্তুতকৃত কেমিক্যাল স্ট্রিপ এর উপর এক বিন্দু ইউরিন রেখে করা হয়ে থাকে। ফলাফলের জন্য এটি ১-২ মিনিট সময় নেয়।

এই পরীক্ষা বা টেস্ট কেন করা হয়

এইটেস্ট করা হয়ঃ

১। কোন মহিলা গর্ভবতী কিনা তা বের করার জন্য।

২। অস্বাভাবিক অবস্থা যা HCG level বাড়াতে পারে তা ডায়াগনোজ করার জন্য।

৩। প্রথম ২ মাসে গর্ভাবস্থার বিকাশ দেখার জন্য।।

স্বাভাবিক ফলাফল

HCG level গর্ভাবস্থার ফার্স্ট ট্রাইমেস্টারে দ্রুত বাড়ে ও তারপর অল্প করে কমতে থাকে।

আপনার রক্তে যখন পর্যাপ্ত HCG থাকে Urine pregnancy test শুধু তখন positive হবে। আপনি যদি গর্ভাবস্থার খুব প্রারম্ভে থাকেন ও HCG level ২৫-৫০ mIU/mL এর নিচে থাকে, তবে পরীক্ষাটি negative হবে।

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়

মোঃ ফারুক হোসাইন