ফুডপয়জনিং ও প্রতিরোধ করণ

প্রকাশিত ৪ আগস্ট, ২০১৮ | আপডেট: ১২ আগস্ট, ২০২০

ফুড পয়জনিং বলতে বোঝায় খাবারের মধ্যে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার কিংবা অন্য কোন বিষের কারণে সৃষ্ট পীড়া। একে খাবার বাহিত অসুস্থতাও বলা হয়। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবি ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের কারণে এটি হয়ে থাকে। মাঝেমধ্যে ব্যাকটেরিয়া খাবারে টক্সিন উৎপন্ন করে এবং এটা সেই বিষ বা টক্সিন যা সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।

কিছু খাবার যেমন কাঁচা, ভালো করে রান্না করা হয়নি এমন মাংশ, আনপাস্তুরাইজড ডেইরি প্রোডাক্ট, রো শেলফিশ ও ভালোভাবে ধৌত করা হয়নি এমন শাকসবজি খুব বেশি ফুড পয়জনিং ঘটায়।

কি কি লক্ষণ থাকতে পারে

১। বমি করা বা বমিবমি ভাব।

২। ডায়রিয়া।

৩। পেটের সংকোচন।

৪। ক্ষুধামান্দ্য।

৫। মাথা ব্যথা।

৬। ঝিমানো।

৭। জ্বর।

৮। দুর্বলতা ও ক্লান্তি।

কারা উচ্চতর ঝুঁকিতে আছেন

শিশু ও বয়স্কদের ফুড পয়জনিং-এ আক্রান্ত হওয়ার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে। আপনিও উচ্চতর ঝুঁকিতে থাকতে পারেন যদি-

১। আপনার দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা যেমন কিডনি ডিজীজ বা ডায়াবেটিস থাকে।

২। আপনি গর্ভবতী হন।

৩। আপনার দুর্বল ইমিউন সিস্টেম।

ফুড পয়জনিং প্রতিরোধ করার ধাপসমুহ

১। যত্নসহকারে ঘনঘন আপনার হাত ধৌত করুণ এবং সর্বদা রান্না করার পুর্বে।

২। ব্যবহার্য জিনিসপত্র, যেমন বাসন, বাটি, গ্লাস ইত্যাদি পরিষ্কার করে রাখুন।

৩। রান্না করার সময়ে একটা thermometer ব্যবহার করুণ। গরুর মাংশ কমপক্ষে ১৬০ ফাঃ-এ রান্না করুণ, পোলট্রী কমপক্ষে ১৬৫ ফাঃ ও মাছ কমপক্ষে ১৪৫ ফাঃ। 

৪। কাঁচা মাংস রাখা কানটেইনারে বা একই প্ল্যাটে  রান্নাকৃত মাংস বা মাছ পুনরায় রাখবেন না, যে পর্যন্ত না তা সম্পুর্ণভাবে ধৌত করা হয়।

৫। যেসব বস্তু (খাবার) দ্রুত পচনশীল সেসব খাদ্যদ্রব্য ঠাণ্ডা করে সংরক্ষণ করা উচিত।

৬। মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া খাবার, প্যাক করা খাবার ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে

৭। যেসব খাবার দুর্গন্ধযুক্ত বা নষ্ট স্বাদ সেগুলো ব্যবহার করা যাবে না

আরো কিছু ধাপসমূহ

১। আপনি যদি আপনার শিশুর যত্ন নিয়ে থাকেন তবে ঘনঘন হাত ধুয়ে নিন।

৩। বুনো মাশরুম খাওয়াবেন না।।

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়

মোঃ ফারুক হোসাইন