মৌল

প্রকাশিত ৩ আগস্ট, ২০১৮ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর, ২০২০

মৌল হচ্ছে ত্বকের উপর দেখা দেওয়া কোষের একটা ক্রমবৃদ্ধি। মেলানোসাইট নামক ত্বকের পিগমেন্ট সেল যখন গুচ্ছবদ্ধভাবে বাড়ে এটি তখনি ঘটে। মাঝেমধ্যে একজন ব্যক্তির নতুন নতুন মৌল দেখা দিতে পারে।

মৌল খুব সচারাচর দেখতে পাওয়া যায়। বেশির ভাগ মৌল ক্ষতিকারক নয়, তাই স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কোন কারণ সৃষ্টি হয় না। চিকিৎসাশাস্ত্রে এটি মেলানোসাইটিক নেভি (melanocytic nevi) নামে পরিচিত।

এটি সচারাচর দেখতে পিঙ্ক, কালো, বাদামী বা ফ্লেশ-কালারড স্পট, কিংবা ত্বকের উপর কোন দাগ যা মেলানোসাইট একত্রীত হওয়ার কারণে গঠিত হয়। এগুলো চ্যাপ্টা বা মসৃণ, সাধারণত গোলাকার বা ডিম্বাকার হয়ে থাকে। অধিক বয়স্ক লোকদের ক্ষেত্রে, তা বিবর্ণ দেখায়।

মেলানোসাইট হচ্ছে সেই কোষ যেটা পিগমেন্ট তৈরি করে, এই রঙিন পদার্থটিকে মেলানিন (melanin) বলে।

প্রতি ১০ জন লোকের মধ্যে প্রায় ১ জনের কমপক্ষে একটা অসচারাচর মৌল থেকে থাকে যা দেখতে একটা স্বাভাবিক মৌল থেকে ভিন্ন।এগুলোকে dysplastic nevi বলা হয়।

বেশির ভাগ মৌলই ২০ বা ৩০ বছরের মধ্যে দেখা যায়। এটি মসৃণ, খসখসে লোমযুক্ত বা লোমবিহীন হতে পারে। এটি হওয়ার পেছনে কারণগুলো হল জিনেটিক্স, হরমোনাল ফ্লাকচুয়েশন (হ্রাসবৃদ্ধি) ও অতিমাত্রায় সুর্যালোক।

আপনার যদি মনে হয়ে থাকে, মৌল অস্বাভাবিক দেখাচ্ছে, বৃহত্তর হচ্ছে, বর্ণ পরিবর্তন হচ্ছে তবে আপনার হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। কেননা তা এক ধরণের স্কিন ক্যানসারের লক্ষণও হতে পারে।

স্কিন সেলফ-ইগজ্যাম

১। নিকট থেকে আপনার সমগ্র শরীর দেখে নিন, আয়নার মধ্যে সামনের ও পিছনের উভয়দিক।

২। আপনার বাহুর নিচে চেক করুন, প্রতিটা বাহুর উভয় পাশে।

৩। কনুইয়ের দিকে বাহু বাঁকা করুন ও আপনার কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত হাতের উভয় দিকে তাকান।

৪। হাতের তালু ও উপরের অংশে তাকান।

৫। জেনিটাল এরিয়া পরীক্ষা করুন।

৬। মুখমণ্ডলে, ঘাড়ে, ঘাড়ের পেছনে, মাথার ত্বকে তাকান।

৭। পায়ের তালু সহ পায়ের দিকে তাকান।

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়

মোঃ ফারুক হোসাইন