ডায়াবেটিক কিডনি প্রবলেম

প্রকাশিত ২৪ জুলাই, ২০১৮ | আপডেট: ১২ আগস্ট, ২০২০

এটিকে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথিও বলা হয়। আপনার যদি ডায়াবেটিস থেকে থাকে, তবে ব্লাড গ্লুকোজ বা সুগার লেভেল স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রে কিডনি ফেইলুর এর সবচেয়ে কমন কারণ হচ্ছে এই ডায়াবেটিস।

অধিক সময়, এটি কিডনিসহ দেহের বহু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ডায়াবেটিসের কারণে কিডনি ড্যামেজকে ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি বলে।

সুস্থ কিডনির মাঝে বহু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালী দেহ থেকে বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করে থাকে। রক্তনালীরমধ্যে ছিদ্র রয়েছে যা পর্যাপ্ত বড় এবং সেটি মুত্রের মধ্যদিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বর্জ্য পদার্থ পাস করে থাকে। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে রক্তে সুগারের উচ্চ লেভেল এই নালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এটা কিডনি ডিজীজ ঘটাতে পারে, যাকে নেফ্রোপ্যাথি বলা হয়। ক্ষতি যদি বেশি খারাপ হয় তবে কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। ফলে দেহ থেকে বের হওয়ার পরিবর্তে ওয়েস্ট ও ফ্লুইড রক্তে জমে যায়।

কিডনির ক্ষতি তীব্র না হওয়া পর্যন্ত ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি সাধারণত কোন লক্ষণ সৃষ্টি করে না।

অবস্থা অগ্রসর হলে নিম্নোক্ত লক্ষণসমুহ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে

১। পা ও গোড়ালি ফোলে যাওয়া।

২। দুর্বলতা।

৩। ক্ষুধাহানি।

৪। পাকস্থলীর গোলযোগ।

৫। অনিদ্রা ও ঘুমের অসুবিধা।

৬। দ্বিধাগ্রস্ততা ও মনোযোগের অসুবিধা।

এর শুরুর দিকের একটা লক্ষণ হচ্ছে সামান্য পরিমাণ প্রোটিন মুত্রে উপস্থিত থাকে। একটা urine test তা নির্ণয় করতে পারে। এছাড়া আপনার কিডনি কতটা ভালো কাজ করছে তা নির্ণয় করার জন্য ব্লাড টেস্ট সাহায্য করতে পারে।

কিডনি ফেইলুর বিশিষ্ট্য ব্যক্তিদের হয়তো dialysis না হয় kidney transplant দরকার হতে পারে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

১। কিডনির ক্ষতি বা অধিক খারাপ হওয়া ঠেকানো।

২। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৩। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৪। নিয়মিত প্রেস্ক্রাইবকৃত ওষধ গ্রহণ।

৫। ধূমপান বন্ধ করা।

৬। ভিটামিন, ওটিসি ওষধ ও হার্বাল ওষধ নেওয়ার পুর্বে চিকিৎসকের সাথে কথা বলে নিতে হবে।

৭। ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি রয়েছে এমন লোকদের অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়া বন্ধ করা উচিত।

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।

মোঃ ফারুক হোসাইন