দৃষ্টি সমস্যা দুরীকরণে খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা

প্রকাশিত ২ মে, ২০১৮ | আপডেট: ৭ আগস্ট, ২০২০

দৃষ্টিশক্তির সমস্যা মানেই হচ্ছে জীবনযাপন ও দৈনন্দিন কাজকর্মের অসুবিধা, যা অনেক মানুষকেই ভোগতে হয়। এদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা ও বয়স্কদের সংখ্যা অধিক। একটি শিশু জন্মগ্রহণের পর তার প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টিকর উপাদান সে তার মায়ের দুধ থেকে পেয়ে থাকে। সকল প্রয়োজনীয় পুষ্টি মাতৃদুগ্ধে থাকার কারণে ভিটামিনের অভাবজনিত সমস্যা শিশুর মধ্যে দেখা যায় না। তবে যখনি শিশু বড় হতে থাকে ও দুধ পান ছেড়ে দেয় তখনি শিশুর বাড়তি খবারের প্রয়োজন পড়ে। 

উক্ত খাবারে থাকবে রোগ-প্রতিরোধী সকল উপাদান ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন। মূলত শিশুদের ভিটামিন এ এর কারণে চোখের সমস্যা বা দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন দেখা দেয়। সেই কারণে যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে খাদ্য তালিকায় সেগুলো রাখতে হবে। একমাত্র স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমেই দৃষ্টিশক্তির সমস্যা ও চোখের সুস্থতা বজায় রাখা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে খাদ্যাসমুহ

সামুদ্রিক মাছ যেমন কড, টুনা, মলা, ঢেলা, ছোট কাচকি, স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকরেল, ট্রাউট ইত্যাদি মাছের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বা পলিআনস্যাচুরেটিড ফ্যাট যা চোখের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। মাছের মধ্যে থাকা উপাদান চোখের রেটিনাকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে অন্ধত্ব প্রতিরোধে ভুমিকা রাখে।

সবুজ শাকসবজীর মধ্যে পাওয়া যায় ভিটামিন এ, বি১২, সি এবং ক্যালসিয়াম। 

এসকল শাকসবজীর মধ্যে বিদ্যমান পুষ্টিকর উপাদান চোখের সুস্থতার পাশাপাশি নানান রোগের হাত থেকে শিশু, তরুণ, মধ্যবয়সী ও বৃদ্ধ সকল প্রকারের লোকদের রক্ষা করে।

গ্রীণ টি-তে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ভিটামিন এ, ই, সি), যা রেটিনাকে সূর্যালোকের ক্ষতিকর অতি তেজস্ক্রিয়তার হাত থেকে রক্ষা করে। তাইবয়স্কদের সুপারিশকৃত পরিমাণে গ্রীণ টি পান করা উচিত।

গাঁজর, মিষ্টি কুমড়া, কাঠবাদাম, অ্যাভোকাডো,লেবু, টমেটো ও মিষ্টি আলু ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। এগুলোর উপকারীতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। 

চোখের সুস্থতার জন্যে বেশ কিছু খাবারের প্রয়োজন যা অতি সস্তা ও সহজলভ্য, আপনাকে এগুলো খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এ খাবারগুলোর কিছু আপনি বিভিন্ন ঋতুতে বা সারা বছর ধরে পেতে পারেন।

এই লেখাটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কিন্তু চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা নিরুপন বা চিকিসা গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়।

মোঃ ফারুক হোসাই