কিভাবে আপনার তারুণ্যতা ধরে রাখবেন

প্রকাশিত ১০ মার্চ, ২০১৮ | আপডেট: ২ জুলাই, ২০২০

বয়সের পরিবর্তন প্রত্যেক পুরুষ এবং মহিলার জীবণের স্বাভাবিক একটি অংশ। তবে এটি সর্বদা আনন্দদায়ক নয়। আপনি যদি আপনার ঔজ্জ্বলতা এবং শৃঙ্খলা হারানোর বিষয়ে চিন্তিত হন তবে তাহলে সেক্ষেত্রে আপনি একা নয়। চিন্তার কোন কারণ নেই এটা থেকে মুক্তির উপায় আছে। সেখানে অনেক উপাদান আছে আপনি ইচ্ছা করলে সেগুলি প্রয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ত্বকের প্রতি যত্নশীল এবং আপনার হেয়ার স্টাইলের চেঞ্জ করতে পারেন। অথবা আপনি সার্জারির মাধ্যেমে আপনার তারুণ্যতা ধরে রাখতে পারেন।

আপনার মুখে তারুণ্যতা ফুটিয়ে তুলুন

ক) আপনার ত্বকের জন্য একটি gentle facial cleanser নির্বাচন করুন।

বয়ঃসন্ধিকালে টিনএজারদের ত্বকের জন্য তীব্র কোন পণ্য ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু তারা প্রায়ই এটা করে থাকে। কারণ এই সময় তাঁদের ত্বকে অতিরিক্ত কোন তেল থাকে না। যদি আপনার ব্যবহৃত gentle facial cleanser টি অতিরিক্ত তীব্র হয় তবে এটি আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক তৈলাক্ততাকে রুক্ষ করে তুলতে পারে। এছাড়াও এটি আপনার ত্বক শুকিয়ে ফেলবে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও বাড়তে পারে। আপনি আপনার বয়সী কাউকে দেখতে পারেন যাদেরকে  ময়েশ্চারাইজিং বলে মনে হয়। নারীদের উচিৎ তাঁদের মুখে মেকআপ করার আগে প্রতিবার মুখ ময়েশ্চারাইজার করে নেওয়া।

আপনার যখন বয়স হবে তখন আপনার উচিত সবসময় আপনার মুখটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখা। আপনার যখন বয়স হয় তখন আপনার মুখের মেকআপ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রাসায়নিক ট্রেসগুলি মুছে ফেলে। 

খ) আপনার মুখ ধৌত করা পরে অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার করুন।

আপনার মুখ ধৌত করার পর আপনার মুখে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার প্রয়োগ করুন। কারণ এটি আপনার মুখকে একটি আর্দ্রতা প্রাদান করে থাকে। যদি আপনি আপনার ত্বক নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং না করে থাকেন তবে আপনার ত্বক খুব দ্রুত শুষ্ক হয়ে যাবে। ময়েশ্চারাইজার নির্বাচনের ক্ষেত্রে হাই পারসেন্টেজ ও সক্রিয়তা দেখে কিনুন। বর্তমানে বাজারে অনেক ধরণের ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। যদি ময়েশ্চারাইজার কেনার বিষয়ে আপনার কোন প্রকার সন্দেহর বিষয় হয় তবে সঠিক ময়েশ্চারাইজার নির্বাচনের জন্য আপনি আপনার ময়েশ্চারাইজারটি কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র হতে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন। 

মনে রাখবেন ময়েশ্চারাইজার শুধুমাত্র নারীদের জন্য নয় বর্তমানে পুরুষদের জন্য বাজারে অনেক প্রাকারের ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যাচ্ছে।

গ) প্রতিদিন সান প্রোটেক্টর ব্যবহার করুন।

বর্তমানে এমন অনেক ময়েশ্চারাইজার আছে যেগুলি SPF সুরক্ষা ধারণ করে থাকে। এগুলি আপনার ত্বককে সর্বদা সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি হতে রক্ষা করে থাকে। এছাড়াও এটি আপনার ত্বককে সূর্যের নানা প্রকার ক্ষতি হতে সুরক্ষ প্রদান করে থাকে। অকাল বার্ধক্যর জন্য মূলত সূর্যের আলোকেই দায়ী করা হয়। তাই চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে আপনার ত্বকের বাদামী দাগ এবং নিস্তেজ রঙ এড়ানোর জন্য অন্তত ১৫ দিন SPF পড়তে। এগুলো ছাড়াও এটি আপনাকে স্কিন ক্যানসার হতে রক্ষা করবে। 

যদি আপনি অল্প সময়ের জন্য সূর্যের আলোতে যেতে চান তবে আপনি শুধুমাত্র আপনার ত্বকের উপর সান স্ক্রীন লাগাবেন না। এটি আপনার বুকের উপর, হাতের উপর লাগাতে পারেন। এটি লাগানোর ফলে আপনার বুক এবং হাতে স্পট প্রতিরোধে সাহায্যে করে থাকে। আপনি যদি সূর্যের আলোতে যেতে চান তবে অবশ্যই আপনার পুরো শরীরে সান স্ক্রীন লাগাতে হবে। 

ঘ)  আপনার ত্বকে Exfoliate করুন।

আপনার ত্বকে যদি তারুণ্যতা আনতে চান তবে আপনার ত্বকে Exfoliate করতে হবে। আপনার বয়স্ক ত্বকে তারুণ্যতা ফিরিয়ে আনতে এমন কিছু পণ্য নির্বাচন করুন যাতে আপনার ত্বক শুকিয়ে না যায় এবং আপনার ত্বকে ক্ষতির সম্ভাবনা কম। Exfoliation আপনার ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। কারণ Exfoliate করার ফলে আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল এবং নরম অনুভূতি হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শেভ করার পূর্বে আপনি আপনার ত্বকে Exfoliation করতে পারেন। এটি করার ফলে আপনার শেভ করা অনেক সহজ হবে এবং সহজে মুখ থেকে চুল অপসারন করা যায়। 

ঙ)  আপনার মুখের চুলকে নিয়ন্ত্রন করুন।

 পুরুষদের ক্ষেত্রে মুখের চুল  বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালো লাগে দেখতে। মহিলাদের ক্ষেত্রে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই পার্শপ্রতিক্রিয়াটি লুকিয়ে রাখতে হবে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্য কিছু দরকারী মনে রাখার মত নির্দেশাবলী নিম্নে দেওয়া হল-

পুরুষদের ক্ষেত্রে 

সবসময় আপনার মুখ ক্লিন শেভ করে রাখুন অথবা ঝরঝরে করে ছেঁটে রাখতে হবে। সর্বদা আপনার নাকের চুল এবং কানের চুল ছেঁটে ছোট করে রাখতে হবে। আপনি আপনার নিকটস্থ ফার্মেসীতে নাকের চুল অপসারণ করার Trimmers পাবেন। এটা ব্যবহার করা যেমন সহজ তেমননি আরামদায়ক ও ব্যাথামুক্ত। আপনি যদি আপনার চুলকে বড় করে তোলেন তবে এটি আপনার ত্বককে অন্যরকম একটি সৌন্দর্য্য প্রদান করে থাকে। আপনি যদি আপনার বয়স্ক ত্বক এড়াতে চান তাহলে আপনার নাকের চুল অপসারণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

মহিলাদের ক্ষেত্রে

হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের সময় মেয়েদের মুখে কখনও কখনও চুলের আবির্ভাব দেখা যায়। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য আপনি কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেটি আপনার বয়স্ক ত্বক লুকিয়ে রাখতে সাহায্যে করবে। এর মধ্যে রয়েছে- laser removal, waxing, depilatory/hair removal cream and threading ছাড়াও আরও কিছু সহজ উপায়।

- নারীদের উচিৎ তাঁদের ভ্রুগুলিকে সর্বদা সুন্দর করে পুরু করে রাখা। যখন আপনার বয়স বেড়ে যাবে তখন আপনার ভ্রু আপনা আপনি পাতলা হয়ে যাবে। তখন আপনার উচিৎ পেন্সিল দ্বারা আপনার ভ্রু রঙ করে নেওয়া। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন কোন রঙের পেন্সিল আপনার ভ্রুর সঙ্গে ভাল মানায়। তাহলে দেখবেন আপনার চেহারায় তারুণ্যতা ফুটে উঠেছে।

চ) আপনার চেহারায় মেকআপ দেওয়ার ফলে এটি আপনার একটি উজ্জ্বল তারুণ্যতা প্রদান করে থাকে। তবে এটি শুধুমাত্র মহিলাদের ক্ষেত্রে।

মহিলাদের ক্ষেত্রে তাঁদের বয়স বৃদ্ধির লক্ষণ লুকানোর জন্য মেকআপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু উপায় আছে। এসব পদ্ধতি আপনার বয়স গোপন রাখতে সাহায্যে করবে। আসুন জেনেই নেই কিছু পদ্ধতি।

আপনি একটি কোমল এবং মসৃণ ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন এটি যেন অবশ্যই কোমলজাতীয় হয়। 

আপনি আপনার cheekbones এর উপর dab of blush করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন আপনার ত্বকের কোন খাঁজ বা গর্তের উপর dab of blush করবেন না। যখন আপনার বয়স বেড়ে যাবে তখন স্বভাবতই আপনার মুখের চর্বি হ্রাস পাবে এবং আপনার মুখে খাঁজ বা গর্তের আবির্ভাব হবে। এটির ফলে আপনার ত্বকে সামান্য বয়স্কভাব আসতে পারে। তাই এর উপর ততবশী জোর দিয়ে Blush করার প্রয়োজন নেই।

আপনি কালো আইলাইনারের পরিবর্তে বাদামী আইলাইনার ব্যবহার করা শুরু করতে পারেন। আপনার বয়স হিসেবে কালো আইলাইনার আপনার ত্বকের উপর আরও গভীরভাবে আপনার বয়স তুলে ধরতে পারে। বাদামী আইলাইনার আপনার চোখের চারপাশে আর কোমল ফ্রেম তৈরি করতে পারে।

আপনার চোখের পাপড়ি দেখান থেকে বিরত থাকুন। আপনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার চোখের পাপড়ি পাতলা হয়ে যাবে এবং তা সোজা হয়ে উঠবে। যখন আপনি আপনার চোখে মাসকারা লাগাবেন তখন আপনার চোখের পাপড়ি সঙ্কুচিত করে রাখুন তা নাহলে এটি আপনার চোখের পাপড়িকে মোটা কারে দিতে পারে।

আপনার ঠোঁটের চারপাশের পারিপার্শ্বকতা ছোট করুন। লিপস্টিকের একটি শেড আপনার ঠোঁটকে একটি চমৎকার আভা দান করে থাকে। তবে আপনার ঠোঁটে অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা গাঢ় লিপস্টিক লাগাবেন না। আপনার ঠোঁট পাতলা হলে এরফলে আপনাকে বয়স্ক দেখাতে পারে। 

আপনার শরীরকে অল্প বয়স্ক করে তুলুন

ক) সর্বদা আপনার দাঁতের সুস্থতা সৌন্দর্য্য বজায় রাখা উচিৎ

সুন্দর দাঁত আপনাকে খুব শীঘ্রই তরুন এবং আকর্ষণীয় চেহারা দান করতে পারে। আপনার দাঁতের যত্নের জন্য একটি ভাল রুটিন তৈরি করুন। এক্ষেত্রে আপনি ব্রাশ করতে পারেন, দাঁতের ফ্লসিং করতে পারেন এবং মাউথ ওয়াশ দ্বারা আপনার মুখ ধৌত করতে পারেন। আপনার দাঁত যদি যথেষ্ঠ সাদা না হয় অথবা আপনি যদি কোন প্রকার দাঁতের সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে অবশ্যই আপনার নিকটস্থ দাঁতের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তাহলে আপনি পাবেন একটি উজ্জ্বল সাদা দাঁত। আর যদি আপনার দাঁতের সমস্যা হয় কিংবা আপনার নড়বড়ে দাঁত হয় অথবা আপনার দাঁতের দাগ থাকে তবে আপানার উচিৎ সেগুলির চিকিৎসা করানো।

আপনার উচিৎ আপনার দাঁত সাদা করার জন্য অনুমোদিত পণ্য ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ডেন্টিস্টের সঙ্গে আলোচোনা করে নিতে পারেন।

দাঁত আপনার শরীরের যেকোন অংশের চেয়ে আপনার বয়সকে দূরে রাখতে পারে। তাই আপনার উচিৎ যথা শীঘ্রই আপানার দাঁতের যত্নের জন্য একটি আলাদা রুটিন তৈরি করা।

খ) আপনার ধূসর আবরণ ঢেকে ফেলতে হবে।

মনে রাখবেন এই পদ্ধতিটি সকলের জন্য কারণ অনেকেই ধূসর অথবা চকচকে চুলে ভালবাসে। আবার অনেকেই ধূসর রঙের চুল হতে পরিত্রান পেতে চান। এজন্য বর্তমানে বাজারে অনেক ধরণের চুলের রঙ আছে যেগুলি আপনার ধূসর চুলের মোকাবেলা করতে পারে। আপনার এমন চুলের রঙ নির্বাচন করা উচিৎ যেটা আপনার চুলকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যর চেয়ে আরও বেশি প্রাকৃতিক করে তোলে। আপনি আপনার চুলের ধূসর রঙ দূর করার জন্য সেলুনে যেতে পারেন অথবা আপনি কম মূল্যবান কিছু পণ্য নির্বাচন করুন অথবা আপনি home hair dying kit কিনতে পারেন। তবে মনে রাখবেন সকল ধরণের hair dye চুলের ক্ষতি করতে পারে। তাই যতটা সম্ভব এগুলি এড়িয়ে চলুন এবং আপনার ক্ষতিগ্রস্থ বা শুকনো চুলের প্রতি অধিক যত্নশীল হতে হবে এবং এর জন্য ডিজাইন পণ্য ব্যবহার করুন।

আপনার উচিৎ ঘন ঘন আপনার চুল dying করা থেকে বিরত থাকা। যখন আপনার চুলের প্রাকৃতিক রঙ দেখায় তখন প্রাথমিকভাবে আপনি আপনার চুলে hair dye প্রয়োগ করতে পারেন। এরপর সাময়িকভাবে এই অবস্থা থেকে বিরত থাকুন। এরপর বাকি সময়ের মধ্যে চুলের অন্যান্য কাজগুলি সেরে ফেলুন। এছাড়াও আরও একটি বিকল্প পদ্ধতি আছে এক্ষেত্রে আপনি touch-up kits কিনতে পারেন যেটা আপনি আপনার hair dye এর কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

নারীদের ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং কোমলতার জন্য তাঁদের চুল  Dying করতে হবে।

চুলে সর্বদা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থমুক্ত প্রাকৃতিক অথবা আসল hair dyes ব্যবহার করতে হবে। এটি আপনার চুলের জন্য ভাল হবে এবং আপনি সুন্দর চুল পাবেন।

গ) আপনার চুলের স্টাইল পরিবর্তন করুন।

আপনি গত  বিশ বছর ধরে একই স্টাইলে চুল এপাশ ওপাশ করছেন। তাহলে আপনাকে চুলের স্টাইল পরিবর্তন করতে হবে। আপনাকে এমন একটি চুলের স্টাইল নির্বাচন করতে হবে যাতে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য এবং তারুণ্যতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও আপনি কিছু stylish magazines কিছু celebrity gossip magazine দেখতে পারেন। সেখান থেকে আপনাকে দেখতে হবে কোন চুলের স্টাইল সবচেয়ে সুন্দর সেটি নির্বাচন করতে হবে। আর যদি আপনি সেরকম কোন ম্যাগাজিন না পান অথবা যদি কোন হেয়ার স্টাইল না পেয়ে থাকেন তবে এমন একটি হেয়ার স্টাইল নির্বাচন করুন যেটাতে আপনার ত্বকের সাথে সামাঞ্জস্যতা বজায় রাখে এবং আপনার ত্বকের তারুণ্যতা ফুটিয়ে তোলে। আপনি যখন কোন নতুন হেয়ার স্টাইল দেয়ার কথা বিবেচনা করবেন সেক্ষেত্রে নিম্নে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে পারেন-

নারীদের ক্ষেত্রে

যদি আপনার একটি বড় কপাল থাকে তবে সেটি আপনার মুখের আকৃতির সঙ্গে ফিট বলে বিবেচনা করুন। তাহলে দেখবেন এটি আপনাকে আরও তারুণ্যতা প্রদান করে থাকবে।

প্রলেপগুলি আপনার ত্বককে বয়স্ক করে তুলতে পারে। এছাড়াও এগুলি আপনার চুল এবং ত্বককে আরও textured, airy, and voluminous করে তোলে। তাই এগুলি হতে আপনাকে পরিত্রান পেতে হবে।

আপনার চুল এমন ভাবে কাটুন যেন এটি আপনার মুখের ফ্রেমের সঙ্গে মিল থাকে এবং আপনার কাঁধের উপর চুলগুলি থাকে। আপনার চুল কয়েক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁটার ফলে এটি আপনাকে আরও সৌন্দর্য্য ও তারুণ্যতা প্রদান করে থাকে। তবে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি বেশি পরিমাণ কাটা যাবে না তাহলে আপনি পাবেন আপনার কাঙ্খিত অপরূপ সৌন্দর্য্য।

পুরুষদের ক্ষেত্রে

আপনার চুলকে আরও একটু বড় হতে দিন। তাহলে এটি আপনার ত্বককে কম কঠোর দেখাবে। কিন্তু আপনার চুল কখনই রুক্ষ হতে দেয়া যাবে না। তাহলে এটি আপনার ত্বককে আরও জীর্ণশীর্ণ ও বয়স্ক করে তুলতে পারে।

যদি আপনি আপনার মাথার চুল ফেলে দিতে চান তবে আপনার মাথার চুল শেভ করতে হবে। এরফলে আপনাকে তরুণ দেখাবে।

ঘ) আপনার বয়স এবং শরীর অনুযায়ী পোশাক পরুন।

 আপনাকে এমন ধরণের কাপড় পড়তে হবে যেগুলি আপনার শরীরকে তাৎক্ষণিক স্মার্ট এবং সুদর্শন দেখায়। এটি পুরুষদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যদিও পুরুষদের শরীরের আকার নারীদের শরীরের আঁকারের তুলনায় কম বৈচিত্র্যপূর্ণ। আপনি যদি আপনার বয়সের তুলনায় অর্ধেক বয়সী কাপড় পরিধান করে থাকেন তবে কখনই আপনার বয়স অর্ধেক কমে যাবে না। এমনকি এটির ফলে আপনাকে আরও বয়স্ক দেখা যেতে পারে। এজন্য আপনাকে এমন পোশাক নির্বাচন করতে হবে যেটা পড়লে আপনাকে সুন্দর লাগে।

নারীদের বয়সস কম দেখানোর জন্য additional cleavage এর প্রয়োজন হয় না। আপনার উচিৎ এমন পোশাক পড়া যেগুলি তাঁদের শরীরের সঙ্গে মিল থাকে এবং আরামদায়ক হয়।

আপনি যদি গত এক দশকের পোশাক পড়ে থাকেন তবে আপনাকে অবশ্যই এগুলির আপডেট করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি নিশ্চিত না হতে পারেন যে আপনার কি কেনা উচিৎ তবে আপনার উচিৎ আপনার পরিচিত কোন ভাল স্টাইল সম্পন্ন মানুষ যেমন আপনার পরিবারের কোন সদস্য কিংবা আপনার কোন বন্ধুকে নিয়ে শপিং করতে পারেন। আর যদি এটা করতে আপনার অস্বস্তিবোধ হয়ে থাকে তবে আপনি ম্যাগাজিনে চোখ রাখতে পারেন এবং আপনি কি ধরণের পোশাক পছন্দ করেন সেগুলি দেখতে পারেন অথবা আপনি সেখানকার মডেলদের দেখে তাঁদের অনুসরন করতে পারেন এবং সেইরকম ব্যবস্থা আপনি আপনার নিজের জন্য করতে পারেন।

এরপরেও যদি আপনি সঠিকভাবে আপনার পোশাক নির্বাচন করতে না পারেন তবে আপনার উচিৎ দোকানে দিয়ে বিক্রয় সহকারীর পরামর্শ নেয়া। কিংবা আপনি পছন্দ করেন এমন সব আইটেমের পোশাক বেছে নিতে পারেন। তারপরেও যদি আপনার মনে হয় সেটা আপনার জন্য উপযুক্ত হবে না তাহলে আপনি চেঞ্জিং রুমে গিয়ে পরিবর্তন করে দেখতে হবে।

ঙ) উজ্জ্বল রঙের কাপড় পড়রে পারেন।

উজ্জ্বল রঙের কাপড় আপনাকে আরও অনেক তরুণ, আধুনিক, ও স্পন্দনশীল চেহারা প্রদান করবে। স্পন্দশীল রঙের কাপড় পড়া সবচেয়ে ভাল কারণ এটি পড়লে আপনার তারুণ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং পূর্ণকর্মশক্তি অনুভব করবেন। মনেরাখবেন সর্বদা কালো, ধূসর এবং নিরেপেক্ষ রঙের কাপড় পড়া থেকে বিরত থাকবেন। আপনার পোশাকের মধ্যে সবসময় লাল, কমলা, সবুজ এবং অন্যান্য উজ্জ্বল রঙের মিশ্রণ রাখার চেষ্টা করবেন। যদিও কালো এবং গাঢ় রঙ আপনাকে স্লিমিং দেখায় তবে এগুলি আপনাকে বয়স্ক দেখায়।

আপনাকে আপনার গাঢ় রঙিন কাপড় হতে সম্পূর্ণরূপে পরিত্রান পেতে হবে না। তবে উদাহরণসরূপ আপনি যদি একটি কালো শার্ট পরেন তবে আপনাকে তাঁর সঙ্গে মিশ্রণ হিসেবে একোটি রঙ্গিন টাই অথবা উজ্জ্বল গয়না পড়েতে হবে।

চ) সঠিক জিনিস বাছাই করা (মহিলাদের ক্ষেত্রে)

নারীদের উচিৎ তাঁদের মিলিত গয়না যেমন নেকলেস এবং কানের দুল সেটগুলিকে দূরে রাখা যেগুলি তাঁদের পদমর্যাদা প্রদর্শন করে। তবে তাঁদের প্রথাগত কিছু ঐতিহ্যাহী গয়না ব্যতীত। আপনার বয়স অনেক কম দেখাবে যদি আপনি আপনার আকর্ষণীয় ও স্টাইলিশ কানের দুলের পরিবর্তে আপনার পছন্দের এক সেট কানের দুল এবং নেকলেস পরিধান করেন। অনেক নারীরা রঙিন রিং পরে এবং তাঁদের তরুণ দেখায় কারণ রঙিন রিং আপনার সৌন্দর্যের মধ্যে একটি মিশ্রণ ঘটায়।

ছ) গোলাপ অথবা আঙুরের সুগন্ধীযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করতে হবে (শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য)

গবেষণায় দেখা গেছে গোলাপ অথবা আঙুরের সুগন্ধীযুক্ত পারফিউম কিংবা লোশন ব্যবহারের ফলে এটি মহিলাদের অন্যান্য সেন্টের থেকে বিরত রাখে এবং অনেক বেশী তরুণ রাখে। অবশ্যই এটি বিরক্তকর নয়। কিন্তু শুধুমাত্র আপনার কানের পিছনে এটি লাগালে দারুন কাজ করতে পারে।

জ) নিয়মিত পানি পান করুন

প্রতিদিন অন্তত  ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। এটি  আপনার ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্যে করে। এতে আপনার চেহারায় তারুণ্যতা বজায় থাকবে। পানি শুধুমাত্র আপনার শরীরের ভিতরের উপকারই করবে না এটি আপনার শরীরের বাইরেও উপকার করে থাকে। এটি আপনার শরীরের বাইরে অনেক স্বাস্থকর চেহারা দান করে থাকে। দৈনিক   নিয়মকরে পানি পান করা আপনার রুটিনের ভিতর অন্তর্ভুক্ত করুন। শুধুমাত্র খাবারের সঙ্গে পানি পান করবেন না, প্রতি দুই ঘন্টায় এক গ্লাস পানি খাওয়া নিশ্চিত হতে হবে। যদি আপনি বিশেষভাবে তৃষ্ণার্ত না হন তবুও আপনাকে পানি পান করতে হবে। 

যদিও আপনার Over-Hydrate নেই তবুও আপনার সুস্থ্য থাকার জন্য এবং আপনার ত্বকের তারুণ্যতা বজায় রাখার জন্য আপনাকে নিয়মিত পানি পান করতে হবে।

ঝ) নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

এটা অনেক কষ্টের হতে পারে, কিছু মানুষ আছে অনেক ব্যস্ত তারা কিভাবে ব্যায়াম শুরু করতে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত নয়। যাইহোক প্রতিদিন অল্পকরে কিন্তু নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম আপনার শরীরকে রাখে সুস্থ এবং প্রাণবন্ত। এটি শুধু আপনাকে তরুণ দেখাবে না এটা আপনার মনকেও তরুণ করে তোলে। আপনার স্বাস্থ্য দীর্ঘ সময় ধরে তারুণ্যতা ধরে রাখার জন্য নিয়মিত সুষম খাবার খেতে হবে। এটি আপনার শরীরের শক্তির যোগান দেবে এবং আপনাকে রাখবে সুস্থ। এটি আপনার শরীরের অসুস্থতাকে প্রতিরোধ করে থাকে। 

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে।

যদি এটি আপনার দৈনন্দিন রুটিনে চর্চা করার জন্য সত্যই কঠিন হয় তবে আপনি যতটুকু পারেন ততটুকুই করতে হবে। ড্রাইভিং এর পরিবর্তে আপনি মুদি দোকানে ২০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা আপনি যখন আপনার বন্ধুদের সাথে ফোনে চ্যাটিং করে থাকেন তখন আপনি হাঁটতে পারেন। তবে মনে রাখবেন প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টা আপনাকে হাঁটতে হবে। 

আপনার আকৃতি বজায় রাখা জরুরী। ওজন কমানোর ডায়েট আপনার ওজন হ্রাস করতে পারে এবং এরফলে আপনাকে বয়স্ক দেখাতে পারে। ওজন হ্রাস দ্রুত আপনার মুখের উপর এবং আপনার ঘাড়ের ত্বকের উপর bit saggy প্রদান করতে পারে। তাই আপনার উচিৎ একবারে ওজন হ্রাস না করে ধীরে ধীরে ওজন হ্রাস করা উচিৎ। এটি আপনার স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার ফলে এটি আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্যে করে। বয়স্কদের জন্য বেশকয়েকটি উপকারী ব্যায়াম হল যোগব্যায়াম, সাইকেল চালান, টেনিস খেলা, সহজ হাইকিং ইত্যাদি।

ঞ) নিয়মিত খাবার খেতে হবে তারুণ্যতা বজায় রাখতে।

পৃথিবীতে এমন কোন খাবার নেই যেটা খাওয়ার ফলে আপনার বয়স ১০ বছর কমে যাবে। তবে এমন কিছু খাবার আছে যেগুলি নিয়মিত খেলে আপানার ত্বকের তারুণ্যতা বজায় থাকবে। নিম্নে কিছু খাবার দেওয়া হল যেগুলি আপনি আপনার খাবারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে নিতে পারেন। 

কমলালেবু- কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল। এটি আপনার মনে তারুণ্যতার ভাব প্রদান করে থাকে।

ব্রোকোলি- এটিও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি। এটি আপনার যকৃতকে শক্তিশালী করে তোলে।

কম চর্বিযুক্ত দই- এটি আপনার ত্বককে সাহায্যে করতে পারে এবং এটি আপনার দাঁতের সুস্থতার জন্য দাঁতে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম প্রদান করে থাকে।

বেরিজ- কিছু কিছু বেরিজ আছে যেগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসের উপস্থিতি থাকে। যা আপনার ত্বককে ফ্রেশ রাখতে সাহায্যে করে।

মিষ্টিআলু- মিষ্টিআলু আপনার ত্বকের রঙ এবং চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

গাজর- এটি আপন আর ত্বক উজ্জ্বল করার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

সাপ্লিমেন্টস গ্রহন করুন

আপনার শরীরে কোন সমস্যা নেই এবং আপনার বয়স কমিয়ে রাখার জন্য সাপ্লিমেন্ট হল সবচেয়ে ভাল উপায়। 

ক) ১০০০-২০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, অ্যাসকরব্যাট বা অ্যাসকরব্যাটের সাথে অন্যকিছু)

এটি একটি পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যার অর্থ হল এটি আপনার দেহের কোষগুলিকে ক্ষতিকর free radicals হতে রক্ষা করে। ভিটামিস সি আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতি বেগুণি রশ্মি হতে রক্ষা করে। এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য অংশগুলিকে সহায়তা করার জন্য ত্বককে সাহায্যে করে। এটি ২০০০ মিলিগ্রাম এর বেশী নেওয়া উচিৎ নয় কারণ তা না হলে এটি আপনার কিডনির পাথর বাড়িয়ে দিতে পারে। 

খ) প্রতিদিন ৪০০০ আইইউ Vitamin D3 নিন।

এই চর্বি দ্রবণীয় ভিটামিন আপনার হাড়কে দৃঢ় রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি  ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং অটিউমিউটন প্রতিরোধ করে থাকে এবং আপনার ত্বকের স্বাস্থ ঠিক রাখে। আপনার শরীরের উপর Vitamin D এর receptors আছে।

গ) একটি উচ্চ মাত্রার B complex supplement নিন।

ভিটামিন সাধারণত ত্বক মেরামত করতে সাহায্যে করে এবং এটি শরীরের Alzheimer´s রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।স্বাস্থকর অভ্যাস গড়ে তুলন

ক) সেক্স করুন।

সেটা ঠিক যে গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে অন্তত তিনবার যৌনতা আপনার ত্বককে অন্যান্যদের তুলনায় দশগুণ তারুণ্যতা প্রদান করে থাকে। যৌনতা মানব বিকাশের হরমোন উৎপাদন করে থাকে যেটি আপনার বয়স্কভাব প্রতিরোধ করে। এর মানে এই নয় যে আপনি আপনার বয়স্কভাব লুকানোর জন্য শুধুমাত্র তিন রাত্রি জেগে থাকবেন। আপনার যদি এমন সঙ্গী থাকে যাকে আপনি ভালবাসেন অথবা পছন্দ করেন তাহলে এটিকে আপনি আরও বাড়িয়ে নিতে পারেন।

আপনি নিজের সম্পর্কে বলছেন যে আপনি খুব ব্যস্ত, ক্লান্ত অথবা যৌনতা আপনার মাথায় খুব বেশী পরিমাণ। কিন্তু মনে করবেন না যৌনতা আপনার সময় ব্যয় করার জন্য একটি মজার বিষয়। কিন্তু এটি আপনার বয়স্ক ত্বক লুকানোর একটি উৎস বা উপায়।  

খ) ভাল অঙ্গবিন্যাস বজায় রাখুন।

আপনি বয়স্কভাব কমানোর জন্য কখনই আপনার নাতির মত দৌড়ানোর বয়স তুলনা করতে পারেন না। একটি ভাল অঙ্গবিন্যাস আপনার বয়সকে অনেকাংশে কমিয়ে রাখে। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে সেটা হল আপনার মেরুদণ্ড সোজা রেখে আপনার কাঁধের উপর নির্ভর করে চলাচল করার পরিবর্তে আপনার মুখিটি মাটির দিকে দিয়ে সতর্কতার সঙ্গে দেখুন আপনার বয়স প্রায় ১০ কমে গেছে। এটি আপনার মেরুদণ্ডকে সোজা রাখবে এবং মেরুদণ্ডে স্নায়ুগুলিকে আরও দক্ষতার সাথে বেশি শক্তি প্রদান করে থাকবে। যার ফলে আপনার সারাটা দিন নিজেকে অনেক তরুণ মনে হবে। 

গ) পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান।

আপনার তারুণ্যতা বজায় রাখতে প্রতিদিন রাতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন নেই। এটা আপনার জন্য কোন উপকার করবে না। যাইহোক, আপনার লক্ষ্য করা উচিৎ আপনি কতক্ষণ ভালভাবে বিশ্রাম করতে পারেন। যখন আপনার বয়স বাড়বে তখন আপনার শরীর বিশেষ করে আপানার চোখ অতিরিক্ত ক্লান্তভাব প্রকাশ করবে। এছাড়াও আপনি খুঁজে নিতে পারেন যে দশ বছর আগে আপনি কতটা কম ঘুমাতেন তাহলে সেটা হবে আপনার জন্য অনেক উপকারী। খুম আপনার শরীরের জন্য উপকারী তবে খেয়াল রাখবেন সেই ঘুম যেন সাত থেকে আট ঘণ্টার বেশী না হয়।

ঘ) নিয়মিত ম্যাসেজ করুন।

মসে অন্তত একবার আপনার শরীর ম্যাসেজ করুন। এটা হতে পারে পেশাদারী কোন মাধ্যেম অথবা অন্য কোন লোকের মাধ্যমে। এটি আপনাকে আরাম প্রদান করে তাকে এবং আপনার বয়স কমিয়ে রাখতে সাহায্যে করে। এটি আপনার শরীরের অ্যানাবোলিক হরমোনের স্রাবকে উৎসাহিত করে থাকে যেটা আপনার বয়স্কভাব কমিয়ে রাখে।

প্রতি মাসে অন্তত একবার ম্যাসেজ পাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা আপানি যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে আরও বেশি ঘন ঘন আপনি এটা করতে পারেন।

ঙ) যোগ ব্যয়াম করুন।

যোগ ব্যায়াম আপনার শরীর এবং মনের যত্ন নেওয়ার ব্যপারে ব্যপক প্রভাব ফেলে। এছাড়াও এটি আপনাকে চাপ থেকে মুক্তি, এবং আপনাকে জীবনে আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠার অনুভব প্রেরণ করে থাকে। আপনি যোগ ব্যায়মের স্টুডিওর চারপাশে নজর রাখতে পারেন এবং দেখুন যে সকল নারীরা যোগব্যায়াম করে থাকে তাঁরা কতটা তরুণ এবং উদ্যমী। তবে এটা বলা যায় সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুই বার আপনার তারুণ্যতায় আঘাত করতে পারে না। আপনার বিভিন্নধরণের আঘাতে ক্ষতি, ব্যায়াম ইত্যাদি থেকে যোগ ব্যায়াম সবচাইতে ভাল উপায়। 

যোগ ব্যায়াম করা সাধারণত একটি সতন্ত্র সাধারণ জীবণধারা। এটি করার ফলে আপনার বয়স্কভাব লোপ পায় এবং আপনাকে তরুন দেখায়।

চ) যতটা সম্ভব কম চাপে থাকার চেষ্টা করুন।

একতাহ সত্য যে চাপময় জীবণধারা আপনাকে অত্যাধিক ক্লান্ত এবং অবসাদগ্রস্থ করে দেবে। এজন্য আপনার উচিৎ আপনার জীবণের চাপগুলিকে কমাণ এবং আপনার চাহিদাগুলির সঙ্গে মোকাবেলা করার নতুন উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আপনি একটি পুরো দিন অথবা একটি ঘণ্টা অন্তর একটি ভাল বইয়ের মধ্যে মগ্ন হয়ে সময় পার করতে পারেন। অথবা টিভিতে আপনার প্রিয় কিছু প্রোগ্রাম দেখতে পারেন। যদিও আপনার জীবণে চাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকা অসম্ভব। এমনকি আপনি যদি একটি tropical paradise এ থাকেন এবং আপনার কাছে যদি একোটি টাকা ভর্তি থলে থাকে তবে আপনি তা কমানোর জন্য আপনাকে চাপ অনুভব করত হবে। 

অর্থাৎ আপনার চাপ লাগে এমন পরিস্থিতি আপনার এড়িয়ে চলা উচিত।

আপনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় এমন দশটি জিনিসের একটি তালিকা তৈরি করুন। এখন আপনার এক্সপোজার কমানোর জন্য উক্ত বিষয়গুলিক পাঁচটি উপায়ে লেখুন। যদি আপনি তা করতে পারেন। 

তবে এমন কিছু চাপের বিষয় রয়েছে যা আপনি এড়িয়ে চলতে পারেন না। যেমন বয়স্ক বাবাকে হারানো কিংবা যে স্বামী তাঁর চাকরি হারিয়েছে এমন। যাইহোক আপনাকে প্রতিটি বিষয়ের প্রতি আরও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে চলতে হবে।

ছ) ধূমপান করবেন না।

যদি আপনি ধূমপান করে থাকেন তবে আপনার উচিৎ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ধূমপান ছেড়ে দিয়ে এটা থেকে বিরত থাকা। আপনার ত্বকের বয়স্কভাব এড়ানোর জন্য এটি এড়ানো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধূমপান করার ফলে আপনার ঠোঁট পাতলা হয়ে যায়, এটি আপনার ত্বককে শুষ্ক করে তুলতে পারে, এছাড়াও ধূমপানের ফলে আপনার চুল এবং নখ নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ধূমপান ছেড়ে দেয়ার ফলে ভবিষ্যতে আপনার শরীর আরও বেশি স্বাস্থকর হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

ধূমপান অবশ্যই সিগারেটের মত গন্ধ তৈরি করে থাকে। 

জ) যতটা সম্ভব আপনার হাসা উচিৎ।

আপনার বয়স্ক ত্বকের ভাব কমানোর জন্য আপনার উচিৎ নিয়মিত হাসা। হাসি আপনার সুখ এবং স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি বিষয়। কিছু মজার গল্প এবং ভাল কিছু বন্ধু দ্বারা আপনি আপনার তরুণ এবং স্পন্দশীলতা বজায় রাখতে পারেন। যারা আপনাকে হাসাতে পারে তাঁদের আশেপাশে থাকুন এবং নিজেকে দশ বছর বয়সী মনে করুন দেখবেন আপনার ত্বক দেখতে সুন্দর হব এবং আপনার বয়স্ক ভাব লোপ পাবে।

ঝ) ভারী অথবা নিয়মিত মদ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অ্যালকোহলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ধূমপানের নিস্ক্রিয়তার চেয়ে কম ক্ষতিকর তবে এর ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। অ্যালকোহল আপনার শরীরের বার্ধক্য এবং বিভিন্ন ধরণের রোগের উৎপত্তি ঘটিয়ে থাকে। এটি আপনার শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয় যার ফলে আপনার ত্বক অনেক বেশি শুষ্ক দেখায়। অ্যালকোহল আপনার চোখের চারপাশে Puffiness তৈরি করতে পারে, যেটা আপনার তারুণ্যতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। 

অল্প বয়স্ক তরুণদের ক্ষেতে এটি অনেক মজাদার এবং অনুভূতিপূর্ণ হয়ে থাকে। আবার কিছু মানুষের জন্য অ্যালকোহল একটি মজার সামাজিক লুব্রিকেন্ট হয়ে থাকে। সুতরাং আপনার উচিৎ আপনার জীবন থেকে চিরতরে মদ্যপান কে দূরে রাখা।

ঞ) সর্বদা তরুণ মনোভাব বজায় রাখুন।

নিজের মনের মধ্যে সর্বদা তরুণ মনোভাব বজায় রাখতে হবে। তবে মনে রাখবেন তাঁর মানে এই নয় যে আপনি টেবিলের উপর উঠে নাচা, কিংবা কিছু মানুষকে নিয়ে মজা করা। এর মানে হল  আপনাকে ইতিবাচক হতে হবে সর্বদা বন্ধুত্বপুর্ণ হতে হবে। এবং হিংসা, বিরক্তিকর মনোভাব, অথবা যেসব মহিলাদের মধ্যে এমন মনোভাব রয়েছে তাঁদেরকে এড়িয়ে চলতে হবে। 

যতটা সম্ভব আপনার উদ্বেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। এছাড়াও যেখানেই যান না কেন সেই স্থান এবং পরিবেশকে উপভোগ করার চেষ্টা করুন। 

সর্বদা আপনার চিন্তাধারা ইতিবাচক রাখুন।