সালিশ

প্রকাশিত ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ | আপডেট: ২১ নভেম্বর, ২০১৯

আমাদের সমাজে সালিশ বিষয়টি খুব পরিচিত একটা মাধ্যম কোন কিছুর সমাধান করতে। প্রাচীন যুগে সালিশ বিষয়টি খুব বেশি ছিল তখন আইন ব্যবস্থাও এধরনেরই ছিল। তবে এই আধুনিক যুগে সালিশ সাধারনত গ্রাম বা জেলা পর্যায়ে হয়ে থাকে এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে সালিশ হয়ে থাকে।

কি বিষয়ে সালিশ হয়ে থাকে

কোন নারী নির্যাতিত হলে তিনি সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করতে পারেন। সংসারে নির্যাতিত হলে সালিশের মাধ্যমে তা সমাধান করতে পারবেন।

সালিশের সুবিধা কি

আদালতে মামলার নিষ্পত্তি হতে অনেক সময় লাগে এবং কিছু খরচাপাতি হয় যেটা সালিশে হয় না। সালিশে সময়ও অনেক কম লাগে। এখানে হারজিত নেই কারন দুইপক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়। কিন্তু এমন হয়ে থাকে যে সমস্যা গুরুত্বপূর্ণ তাহলে আইনের আশ্রয় নেওয়া ভালো। তখন মামলার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। সমাজে ধর্ষণ, ডাকাতি, খুন ইত্যাদি মারাত্নক সমস্যার ক্ষেত্রে আইনের মাধ্যমে তার সমাধান করতে হবে। তখন সালিশির মাধ্যমে করা যাবে না।

সালিশি গঠন হয় কি ভাবে

সালিশের পরিষদ গঠন হয় এলাকার চেয়ারম্যান এবং দুইপক্ষের প্রতিনিধির ১ জন করে নিয়ে। যদি চেয়ারম্যান সালিশিতে অংশগ্রহন না করতে চান তাহলে সরকারের কাছে আবেদন করতে পারেন তবে যুক্তিযুক্ত কারন দেখাতে হবে। বিবাদীগনের যদি মনে হয় সালিশের রায় তাদের পক্ষে হচ্ছে না বা সঠিক হচ্ছে না। তাহলে আদালতে আবেদন করতে পারে। আদালতের রায় যা হবে তাই মেনে নিতে হবে সবাইকে।

লেখিকা- মুমতাহিনা প্রমি, আইনে অধ্যায়নরত ছাত্রী, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।