বলিরেখা দূর করার উপায়

প্রকাশিত ১৪ জানুয়ারী, ২০১৯ | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বয়স হলে সবার ত্বকে ভাঁজ পরে কিন্তু অনেকের বয়সের আগেই ত্বকে ভাঁজ পড়ে। ফলে অনেক সমস্যায় ভুগতে হয় বিশেষ করে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। বলিরেখা হলে স্বাভাবিক ভাবেই মন খারাপ হয়ে যায় এবং এই বলিরেখার কারনে বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হয়। আসুন জেনে নেই বলিরেখা কিভাবে দূর করবেন।

বলিরেখা কি

বলিরেখা কিভাবে দূর হবে সেটা জানার আগে জেনে নেওয়া উচিত বলিরেখা কি বা কেন হয়। বলিরেখা সাধারনত বয়স প্রকাশ করে। আমাদের বয়সের সাথে ত্বকের চামড়ার ভাঁজ পড়ে। ত্বক আগের মত টান টান থাকে না। মুখের ত্বক এবং ঠোঁটের পাশে বলিরেখা দৃষ্টিগোচর হয়। বলিরেখা পড়ার নির্দিষ্ট সময় বা বয়স আছে কিন্তু অনেকের কম বয়সেই বলিরেখার লক্ষন দেখা দিতে পারে।

বলিরেখা কেন হয়

বলিরেখা হওয়ার প্রধান কারন সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি। অনেকেই ভেবে থাকেন বলি্রেখা বয়সের সাথে তো পরবেই তাহলে এত যত্ন করেই বা কি হবে! কিন্তু না, যত্ন না করার ফলেই অনেক কম বয়সেই বলিরেখা পড়ে। তাই বাইরে গেলে অবশ্যই সানস্কিন ক্রিম বা লোশন দিতে হবে এবং SPF 30 হতে হবে যা আপনার ত্বকের UVA এবং UVB থেকে রক্ষা করবে।

বলিরেখা দূর করার উপায়

ত্বকের যত্ন ভালো ভাবে নিলে বলিরেখা দূর হয়ে যাবে। বলিরেখা দূর করতে নিয়মিত কিছু নিয়ম মেনে চললে বলিরেখা দূর হয়। নিয়মগুলো দেওয়া হল-

অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েলে আছে ঔষধী গুন যা আপনার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করবে। নিয়মিত অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল ত্বকে ম্যাসাজ করুন এবং বাড়তি তেল নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন। প্রতি রাতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক নরম ও কোমল হবে, সাথে বলিরেখা দূর হবে।

ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন

ডিমের সাদা অংশে ভিটামিন বি এবং ই আছে যা ত্বককে যৌবন রাখতে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশ ত্বকে দিয়ে ১৫ মিনিট আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন এবং এরপর ধুয়ে নিন এভাবে সপ্তাহে ২ দিন করুন।

ম্যাসাজ বলিরেখা দূর করে

নিয়মিত ত্বক ম্যাসাজে বলিরেখা দূর হয়। চোখের পাশে, ঠোঁটের পাশে ভাঁজ পরে এই ভাঁজ দূর করতে নিয়মিত ত্বক ম্যাসাজ করলে বলিরেখা দূর হয়। ম্যাসাজ করার জন্য কৌশল নিজে শিখে নিতে পারেন অথবা ম্যাসাজ পার্লারে করে নিতে পারেন।

শরীরে পুষ্টি

শরীরে পুষ্টি না থাকলে যাই করুন সমস্যা থেকেই যাবে। বেশি বেশি করে ফলমূল খেতে হবে যাতে করে শরীরে পুষ্টি থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে। সবুজ শাক-সবজি এবং পানি প্রচুর খেতে হবে। অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।