কলার খাদ্যগুন বিষয়ক উপকারিতা ও ব্যবহার জেনে নিন

প্রকাশিত ২২ মার্চ, ২০১৮ | আপডেট: ১৮ এপ্রিল, ২০২১

প্রতি ১০০ গ্রাম সতেজ ওজনের একটি কলার পুষ্টিমান নিম্নক্ত

পানির পরিমাণ- ৭৫ গ্রাম, কার্বহাইড্রেটস(ভোজ্য)- ২০ গ্রাম, ফ্যাট(অপক্ব)- .৩ গ্রাম, ফাইবারস(অপক্ব)- .৩গ্রাম, ভিটামিন এ- ৪০০ আই ই, ভিটামিন সি- ১০ মিলিগ্রাম, এনার্জি- ৪৬০ কে.জি, খাবার পুর্বে হ্রাস- .৩৩%.
এছাড়াও কলা ট্রিপটোফ্যান ও ভিটামিন বি ৬ ধারণ করে যার সমন্বয় সেরোটনিন উৎপাদনে দেহকে সহায়তা করে। পটাশিয়ামের একটা বৃহৎ উৎস হিসেবে ধরা যায়।কলা উচ্চমাত্রায় সলুবল ফাইবার ধারণ করে যা কোষ্ঠ্যবদ্ধতা কমাতে সাহায্য করে ও নিয়মিত অন্ত্রের কাজ চালিয়ে যেতে সাহায্য করে।

কলা স্বাস্থ্যের যে উপকার করে থাকে সেগুলো হচ্ছে

* যে কোন ধরণের ক্ষত প্রতিরোধে সাহায্য করে
* দেহের সার্কুলেটরী সিসটেমকে মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছে দিতে সাহায্য করে
* মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতায় উপকারে আসে
* স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
* স্নায়ুবিক কাজে উন্নতি সাধন করে
* নিয়মিত হৃৎস্পন্দন বজায় রাখে
* শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক রাখে
* অন্ত্রের সিসটেমকে নিয়ন্ত্রণ করে
* কিডনির স্বাস্থ্যে সাহায্য করে
* শরীরে কর্মশক্তি জোগায়
* মাসিক বা রজঃস্রাবসংক্রান্ত ব্যথা কমায়
* বিষাদগ্রস্ততা কমায়
* রক্তের হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে উদ্দীপিত করে
* অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে যেহেতু এর মধ্যে প্রচুর আয়রন আছে
* শরীরের হাড়কে অধিক সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে
* রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
* কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
* ধূমপানত্যাগে ব্যক্তিকে সাহায্য করে থাকে
রূপগত কারনে কলার আরো কিছু ব্যবহার রয়েছে। যেমন ব্যানানা ফেইসমাস্ক তৈরীতে মধু ও কমলার রসের সাথে কলা মিশানো হয়। তারপর ৫ মিনিট পরে মুখে লাগানো হয়। ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেলতে হয়। এটা সাধারনতঃ চামড়ার ভাঁজ দুরীকরণ ও বার্ধক্যজনিত বলিরেখা এড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
লেখকঃ মোঃ ফারুক হোসাইন